islam

ঋণ করে কুরবানির পশু ক্রয় করার বিধান


▌ঋণ করে কুরবানির পশু ক্রয় করার বিধান · সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ‘উলামা পরিষদের সাবেক সদস্য, বিগত শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুফাসসির, মুহাদ্দিস, ফাক্বীহ ও উসূলবিদ, আশ-শাইখ, আল-‘আল্লামাহ, ইমাম মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-‘উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২১ হি./২০০১ খ্রি.] প্রদত্ত ফাতওয়া— السؤال: هل يشرع للفقير أن يستدين لكي يضحي؟ الجواب: الفقير الذي ليس بيده شيء عند حلول عيد الأضحى لكنه يأمل أن يحصل، كإنسان له راتب شهري، أو أنه في يوم العيد ليس في يده شيء لكنه يستطيع أن يستقرض من صاحبه ويوفي إذا جاء الراتب فهذا يمكن أن نقول له: لك أن تستقرض إذن وتضحي ثم توفي، ْ أما إذا كان لا يأمل الوفاء عن قريب فإننا لا نستحب له أن يستقرض ليضحي؛ لأن هذا يستلزم إشغال ذمته بالدين ومنّ الناس عليه، ولا يدري هل يستطيع الوفاء أو لا يستطيع. প্রশ্ন: “কুরবানি দেওয়ার জন্য অভাবী ব্যক্তির ঋণ করা কি শরিয়তসম্মত?” উত্তর: “ইদুল আজহার সময় যে অভাবী ব্যক্তির কাছে অর্থকড়ি থাকে না, কিন্তু সে ঋণ পরিশোধের আশা রাখে। যেমন: কোনো ব্যক্তি মাসিক বেতন পায়, তবে ইদের দিনে তার কাছে অর্থ নেই। কিন্তু সে তার সঙ্গীর কাছ থেকে অর্থ ধার করে পরবর্তীতে বেতনের টাকা থেকে দেনা পরিশোধ করে দেয়। এ ব্যক্তিকে আমরা বলব, ‘তাহলে তুমি ধার করে কুরবানি দাও, পরে ধার পরিশোধ করে দিয়ো।’ পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি অল্প কিছুদিনের মধ্যে ঋণ পরিশোধের আশা রাখে না, সে ব্যক্তির ঋণ করে কুরবানি দেওয়াকে আমরা মুস্তাহাব বলি না। কেননা এর ফলে ঋণের চুক্তি নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হওয়া এবং মানুষের অনুগ্রহের মুখাপেক্ষী হওয়া তার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় সে জানে না যে, আদৌ সে তার ঋণ পরিশোধ করতে পারবে, না কি পারবে না।” [ইমাম ‘উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ), মাজমূ‘উ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, খণ্ড: ২৫; পৃষ্ঠা: ১০৯-১১০; দারুস সুরাইয়্যা, রিয়াদ কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪২৯ হি./২০০৮ খ্রি. (১ম প্রকাশ)] · ইমাম ‘উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) আরেকটি ফাতওয়ায় স্পষ্টভাবে বলেছেন, وأما من لا يأمل الحصول على قيمتها من قرب فلا ينبغي أن يستدين للأضحية “যে ব্যক্তি নিকটবর্তী সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে বলে মনে করে না, তার জন্য কুরবানির পশু ক্রয় করার নিমিত্তে ঋণ করা বাঞ্ছনীয় নয়।” [প্রাগুক্ত; খণ্ড: ২৫; পৃষ্ঠা: ১১০] · অনুবাদক: মুহাম্মাদ ‘আব্দুল্লাহ মৃধা www.facebook.com/SunniSalafiAthari